শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশালে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম : উন্নত ব্যবস্থায় বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ভূমি সেবা সহজীকরনে সাফল্য। কলাপাড়ায় চান্দিনাভিটি নবায়নে একদিনে ৬ লাখ টাকা আদায় রজপাড়া দিন-এ-এলাহী মাদ্রাসার নিয়োগ পরীক্ষা এবং ফলাফল অনুষ্ঠিত ক্ষমতায় আসলে ফ্যামিলি কার্ড,বেকার ভাতা ও নারী উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি …..এবিএম মোশাররফ হোসেন প্রেসক্লাব পটুয়াখালী”‘র আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন সদস্য সচিব আল-আমিন ‎বরিশালে ইএসডিও এর আয়োজনে চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত বরিশালে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম : উন্নত ব্যবস্থায় বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কলাপাড়ায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ইসলামীক রিচার্স সেন্টার বাস্তবায়নের দাবিতে মুসলিম ইনস্টিটিউটের মানববন্ধন সততা, আচরণ ও প্রচারণায় বাবুগঞ্জ–মুলাদীবাসীর আস্থায় জহির উদ্দিন বাবর কলাপাড়ায় থেমে থাকা ট্রলিতে মোটরসাইকেলের ধাক্কা।বিকাশ কর্মী নি/হ/ত পটুয়াখালী শিল্পকলা একাডেমিতে সতেরো বছর পর জাসাসের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত বাউফলে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদযাপন! শেখ হাসিনাকে নিয়ে গাওয়া গানের সাথে নৃত্য, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী বাউফলে কৃষক দলের নেতার উপর হামলা বিচারের দাবিতে প্রতিবাদে নিন্দা ভিক্ষব মিছিল
পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল ট্রলি ও দিলো না, চাদরে মুড়িয়ে মরদেহ নিল পরিবার

পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল ট্রলি ও দিলো না, চাদরে মুড়িয়ে মরদেহ নিল পরিবার

Sharing is caring!

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মো. জাকারিয়া (২২) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

তবে মৃত্যুর পর তার মরদেহ বহনের জন্য সদর হাসপাতালের ট্রলি না পেয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন মৃত্যুের পরিবার।

পরে উপায় আপায় না পেয়ে চাদরে মুড়িয়ে মরদেহ বহন করেন মৃত্যুের পরিবার। গত রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার সময় পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐ শিক্ষার্থী মারা যান।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে তাকে পটুয়াখালী সদর  হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। খোজ নিয়ে জানা যায়, মো,জাকারিয়া পটুয়াখালী সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

তিনি দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারোগাছিয়া গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

বাবা মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মা হোসনেয়ারা বেগমের একমাত্র ছেলে ছিলেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ পটুয়াখালী জেলা শাখার সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মো,জাকারিয়ার মা হোসনেয়ারা বেগম ছেলে হারিয়ে  কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, টাকার বিনিময় হলেও আমার সন্তানকে ফিরিয়ে দেন। মারা যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে আমার ছেলেটা বারান্দার বেড থেকে বলছিল, ‘আমারে নিচে নামাইয়া দাও।’

কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। এদিকে বাবা মো, জাহাঙ্গীর আলম হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে পটুঃসদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।

ভালো ডাক্তার পর্যন্ত পাইনি আমরা। নার্সদের কাছে বারবার অনুরোধ করলেও তারা কোনো সাড়া দেয়নি ডাকে। আমার ছেলে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।

মৃত্যুর পর শেষ বারের মতো মরদেহ বহনের জন্য ট্রলি চেয়েছিলাম হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে সেটিও হাসপাতাল দেয়নি।

এ ব্যপারে সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্সদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তাই বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন)

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD